Tirtha Darshan-South India

শ্রীশ্রী গুরু-গৌরাঙ্গৌ জয়তঃ

তীর্থ দর্শন- ২০১৯ (দক্ষিণ ভারত) চার ধামের, তিন ধামসহ ৪৫ দিনব্যাপী বাসযোগে বিভিন্ন তীর্থস্থান দর্শন

সুধী,

শ্রীশ্রী গুরু-গৌরাঙ্গের অশেষ কৃপায় আগামী …………………………………………………………………………………

৪৫ দিনের জন্য নিম্নলিখিত তীর্থস্থানসমূহ মাহাত্ম্য-বর্ণনা ও শ্রীহরিনাম কীর্তন সহযোগে দর্শন করানো হইবে।

তীর্থ ও দর্শনীয় স্থানসমূহ :

১। বেনাপোল (বাংলাদেশ): নামাচার্য শ্রীহরিদাস ঠাকুরের পাটবাড়ী।

২। শ্রীধাম মায়াপুর (পশ্চিমবঙ্গ): শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব স্থান, ইস্কন মন্দির ইত্যাদি।

৩। পুরীধাম (উড়িষ্যা): শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির, গুণ্ডিচা মন্দির, গম্ভীরামঠ, সার্বভৌম ভট্টাচার্যের বাড়ী, টোঁটা গোপীনাথ, হরিদাস ঠাকুরের সমাধি, নীলাচল, সিদ্ধ বকুলতলা, সরস্বতী গোস্বামীর জন্মস্থান দর্শন এবং সমুদ্রে স্নান।

৪। চিলিকা হ্রদ (উড়িষ্যা): (এশিয়ার বৃহত্তম হ্রদ) হ্রদ মধ্যে কালী মন্দির দর্শন।

৫। সীমাচলম্ (অন্ধ্রপ্রদেশ): বরাহ নৃসিংহ মন্দির, হিরণ্যকশিপু বধ স্থল।

৬। বিশাখাপত্তম্ (অন্ধ্রপ্রদেশ): আর, কে সমুদ্র সৈকত।

৭। অন্যাভরম্ (অন্ধ্রপ্রদেশ): শ্রীশ্রী লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির।

৮। গোদাবরী (অন্ধ্রপ্রদেশ): গোদাবরী নদীতে স্নান, গৌড়ীয় মঠ দর্শন, মহাপ্রভু-রায় রামানন্দ মিলন স্থল, পানা নৃসিংহ মন্দির।

৯। বিজয়ভারা (অন্ধ্রপ্রদেশ): কনক দূর্গা মন্দির, কৃষ্ণা নদী দর্শন।

১০। তিরুপতি (অন্ধ্রপ্রদেশ): পৃথিবী বিখ্যাত বালাজী মন্দির (স্বর্ণ মন্দির), তিরুচানুর পদ্মাবতী মন্দির, গোবিন্দ রাজা মন্দির, কল্যাণ ভেঙ্কটেশ্বর মন্দির, অগস্ত্য মুনির মন্দির, কোদান্দরম্ মন্দির, কপিলেশ্বর মন্দির, ইস্কন মন্দির।

১১। চেন্নাই (তামিলনাড়ু): সু-চিকিৎসার অন্যতম কেন্দ্র চেন্নাই। ইস্কন রাধা মাধব মন্দির, পার্থ সারথী মন্দির, সমুদ্র সৈকত, পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘ বেলাভূমি, এম, জি রামারাও এর সমাধি।

১২। বিখ্যাত কার্তিক মন্দির, রাজীব গান্ধীর সমাধি।

১৩। বরাহ দেবের আবির্ভাব স্থল, বরাহ মন্দির, কল্প বৃক্ষ পরিক্রমা।

১৪। মহাবলীপুরম্ (তামিলনাড়ু): মহিষাসুর মর্দিনী গুহা মন্দির, পঞ্চরথ, সোর মন্দির, সমুদ্র সৈকত।

১৫। পক্ষীতীর্থ (তামিলনাড়ু): পাহাড়ের উপরে পক্ষীতীর্থ দর্শন।

১৬। শ্রীরঙ্গম্ (তামিলনাড়ু): পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ সায়ম্ভূ বিষ্ণু মন্দির, ইস্কন গোবিন্দ মন্দির, কাবেরী নদীতে স্নান ও তর্পণ।

১৭। রামেশ্বরম্ (তামিলনাড়ু): রামেশ্বর মন্দির, রামজরোখা মন্দির, সাক্ষী হনুমান মন্দির, রাম কুণ্ড, সীতা কুণ্ড, লক্ষ্মণ কুণ্ড, পঞ্চমুখী হনুমান মন্দির, ধনুষ্কোটি, সেতুবন্ধন স্থান, ভাসমান পাথর দর্শন, সমুদ্রে স্নান।

১৮। কন্যাকুমারী (তামিলনাড়ু): ত্রিবেণী সঙ্গম (বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর, আরব সাগর), চন্দ্রোদয়, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দর্শন, দেবী কন্যাকুমারী মন্দির, গান্ধী মেমোরিয়াল, সমুদ্র বক্ষে বিবেকানন্দ রক (লাল ও বাদামী গ্রানাইট পাথরে নির্মিত বিবেকানন্দ স্মারক শিলা) ও ১৩৩ ফুট উঁচু তামিল কবি তিরুভাল্লুভার মূর্তি।

১৯। মাদুরাই (তামিলনাড়ু): সুবিশাল মিনাক্ষীদেবীর মন্দির।

২০। মাইশুর (কর্ণাটক): বালাজী মন্দির, চামুণ্ডা মাতা মন্দির, নন্দীষাঁড়, বৃন্দাবন গার্ডেন, মাইশুর রাজবাড়ী, চন্দনবন, আটশত বছরের পুরানো শ্রী রঙ্গনাথ মন্দির, টিপু সুলতালের সমাধি ও প্যালেস, কাবেরী নদীতে স্নান।

২১। ব্যাঙ্গালোর (কর্ণাটক): ইস্কন শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির, বিশ্বের অন্যতম উদ্যান নগরী ও পাহাড়ী নগরী ব্যাঙ্গালোর, লালবাগ পার্ক, টিপু প্যালেস।

২২। হামপি (কর্ণাটক): তুঙ্গভদ্রা নদীতে স্নান, শঙ্করাচার্য্য মন্দির, রঙ্গনাথ মন্দির, কিসকিন্ধ্যা রাজ্য, বালি-সুগ্রীব গুহা, রাম সীতা মন্দির, অঞ্জনা পাহাড় (হনুমানের জন্ম স্থান), রামের পাদুকা মন্দির, পুষ্প সরোবর ইত্যাদি দর্শন।

২৩। পাণ্ডারপুর (মহারাষ্ট্র): চন্দ্র ভাগা নদীতে স্নান, সায়ম্ভু-বিট্টল-রুক্মণী মন্দির দর্শন।

২৪। মুম্বাই (মহারাষ্ট্র): ইস্কন শ্রীশ্রী রাধা রাসবিহারী মন্দির, মহালক্ষ্মী মন্দির, ইণ্ডিয়াগেট, জুহু সমুদ্র সৈকত, ট্যানেল রাস্তা, কমলা-নেহেরু পার্ক, নেকলেস অফ মুম্বাই।

২৫। দ্বারকাধাম (গুজরাট): (চির শান্তির শহর দ্বারাবতী, স্বর্ণপুরী, স্বর্ণদুয়ারিকার প্রবেশ পথ) শ্রীশ্রী দ্বারকাধীশ মন্দির, (দেব শিল্পী বিশ্বকর্মার তৈরী আড়াই হাজার বছরের পুরানো মন্দির ১৫৭ ফুট উঁচু)। সঙ্গমে স্নান (গোমতী নদী ও আরব সাগর), ইস্কন রুক্মণী দ্বারকাধীশ মন্দির, ভরকেশ্বর মহাদেব মন্দির, গীতা মন্দির, মহামায়া মন্দির, গায়ত্রী শক্তি পীঠ, শ্রী সিদ্ধেশ্বর মহাদেব মন্দির, শ্রী স্বামী নারায়ণ মন্দির, রুক্মিণী দেবী মন্দির, গোপী পুকুর, (তিলক এর উৎপত্তিস্থল) নাগেশ্বর মহাদেব মূর্তি (৮৫ ফুট উঁচু, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের একটি)।

২৬। ভেট দ্বারকা (গুজরাট): শ্রী দ্বারকানাথ মুখ মন্দির, শ্রীকৃষ্ণ সুদামার মিলন স্থল।

২৭। পোর বন্দর (গুজরাট): সুধামা পুরী, মহাত্মাগান্ধীর জন্মস্থান।

২৮। সোমনাথ (গুজরাট): শ্রী সোমনাথ মন্দির, শুসী ভূষিল মহাদেব মন্দির, ভালুকা তীর্থ, প্রভাষ ক্ষেত্র, ত্রিবেণী সঙ্গম (হিরণ্য, কপিলা, সরস্বতী) সারদা মঠ, সূর্য মন্দির, গীতা মন্দির, লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির, মহাপ্রভুর বৈঠক, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখ্য পাদুকা মন্দির (শ্রীকৃষ্ণের স্ব-ধামে গমন স্থল), ভোমনাথ মহাদেব মন্দির।

২৯। উদয়পুর (রাজস্থান): “ভ্যানিস অব দ্যা ইস্ট” উদয়পুর মর্মর প্রাসাদ, সুসজ্জিত উদ্যান, মনোহর হ্রদ, প্রাচীন মন্দির শোভিত শহর।

৩০। নাথদ্বার (রাজস্থান):  শ্রীনাথজী মন্দির দর্শন।

৩১। পুষ্কর (রাজস্থান): শ্রী বৈকুণ্ঠেশ ভগবান মন্দির, ব্রহ্মসরোবর, প্রজাপতি ব্রহ্মা মন্দির, মহাসাবিত্রী মন্দির।

৩২। জয়পুর (রাজস্থান): লাল আর বেলে পাথরের শহর জয়পুর, বিভিন্ন বিগ্রহের প্রস্তর মূর্তি তৈরির স্থান জয়পুর, শ্রী গোবিন্দ মন্দির, শ্রী গোপীনাথ মন্দির, শ্রীদামোদর মন্দির, বিড়লা মন্দির।

৩৩। বৃন্দাবন (উত্তর প্রদেশ): শ্রী গোবিন্দ, শ্রী রাধাদামোদর, লালাবাবু ও জগৎশেঠের মন্দির, নিধুবন, নিকুঞ্জবন, কৃষ্ণ-বলরাম বৃক্ষ, কালীয় দমন, কেশীঘাট, বংশীবট, বস্ত্রহরণ, ইমলিতলা, ইস্কন শ্রীকৃষ্ণ-বলরাম মন্দির প্রভৃতি দর্শন।

৩৪। কলকাতা।

 

Updated on 03 May 2019